শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষার প্রেয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে পবিত্র কোরআন শরীফে যে আয়াতটি নাজিল হয়েছিল “ইকরা বিসমি রাবিব কাল্লাজি খালাক” অর্থ-পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। এই “পড়” শব্দের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, জ্ঞান অর্জনই মানুষ কে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যায়। নবী (সাঃ) বলেছেন “জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরজ”। একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই পারে একজন শিক্ষার্থীকে সু-শিক্ষিত এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। শিক্ষিত নারী, শিক্ষিত পরিবার সুন্দর সমাজ গঠনের ভিত্তি। জাতি গঠনে নারীর ভূমিকার কথা বিবেচনা করে বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা সখিনা বেগম এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। আনুষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা বিদ্যালয়ের কোন বিকল্প নাই। একজন প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠা শুধু ভালো ফলাফলের উপরেই সিমাবদ্ধ নয়। বরং এর পাশা-পাশি শিক্ষার্থীকে সৎ, পরিশ্রমি ও শৃংখলাবোধ শিক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হয়। পরিবার হলো একজন শিশুর প্রথম শিক্ষাকেন্দ্র। নীতি-নৈতিকতা, সততা, সত্যবাদিতা পারিবারিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত। পারিবারিক এবং একাডেমিক শিক্ষার সমন্বয়েই একটি শিক্ষার্থীর আদর্শের পরিপূর্ণতা লাভ হয়। অর্থাৎ এই দুই শিক্ষাস্থল একে অপরের পরিপুরক। এই সখিনা মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি হলো একটি আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্র। যেখানে জ্ঞান, দক্ষতা, শৃংখলা, নিয়ম-নীতি, সামাজিক সহাবস্থান, একে অপরের সহযোগিতা করার মনোভাব-এককথায় শিক্ষার্থীর মানুসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি যে, আমাদের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অধ্যায়ন, শৃংখলা ও সততার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যত কে উজ্জল করবে এবং দেশের উন্নয়নে গুরিুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ইনশাআল্লাহ।